Bangladeshi Broadsheet

One stop web portal for Bangladeshies in Australia

Next Text Post New Entry

view:  full / summary

When did u last see BD style office environment?

Posted by Mohammad Hassan on May 8, 2013 at 9:40 PM Comments comments (0)

বাইরে ঝলমল রৌদ্র। আমি ভীষণভাবেই মানসিক অর্থে স্মৃতিমগ্ন আর একইসাথে বিষন্ন হয়ে পরছি। বার বার মনে পরছে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ড: তাহের ভাই, আশিক, মাসুম ভাই, আশিক, বন্ধু মামুন, টি বয় হান্নান। কত উদ্দীপনা আর উত্সাহ ছিল কাজের পরিবেশে- নতুন ইউনিভার্সিটি, নতুন ক্যারিয়ার, নতুন আমার মধ্যে আমি। সদ্য গ্রাযুএট। তাই সারাদিন কম্পিউটার সাইন্স ডিপার্টমেন্ট কে একজন প্রানবন্ত ছাত্র যেভাবে দেখতে চায়- সেইভাবে প্রিপেয়ার করা। নিজে উদ্যোগে সিসকোর একাডেমি, অবসরে রিয়েল লাইফ স্টুডেন্ট প্রজেক্টের জন্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিজের সাংবাদিক কার্ডের সুবাদে; নতুন ড্রাইভার- আমার টয়োটা করোনা গাড়িটা নিয়ে ঢু মারা, প্রথম পার্বত্য বিতর্ক উত্সবে বিচারক হিসেবে যোগ দিতে একদল ছাত্র নিয়ে রাঙ্গামাটি যাওয়া, এক কালো-আকাশ বৈশাখী বৃষ্টির দিন শুধু ভিজবো বলে ক্লাস না নেওয়া এবং এক মস্ত লিস্ট ...।

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিট থেকে নয় বছর আগে বিদায় দিনে পাওয়া Gucci ঘড়িটা হাতে নিয়ে এইসব এখন স্মৃতিই যেন।

ইউনিভার্সিটিতে পড় র সময়ও কত কোলাহল। ফিসিক্স ক্লাস করবার সময় খানিকটা দূড়েই দাড়ানো গরুর ডাক, হটাত্ মিছিলের শব্দ। ইটের টুকরার নিচে কাগজে নাম লিখে বাসে ঢাকা ফিরবার সিট রাখা, চ্যানেল ই- কম্পিউটার বার্তা, কত কোলাহল। আর সেইসব গল্প লিখব পরবর্তিতে। এখনো ইউনিভার্সিটিতেই কাজ করি। কিন্তু অফিসের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আবহে বসে নিজেকে মাঝে মাঝেই কেবল একটা যন্ত্র মনে হয়। এই রোদ্রে হুশ করে কলিগরা মিলে নিচের চায়ের দোকানে চা খাওয়া নাই, নাই হান্নান কে দিয়ে ধানমন্ডি থেকে আনিয়ে স্পেশাল বোরহানি দিয়ে দুপুরের লাঞ্চ আর মহাখালী থেকে গুল্লু মার্কা সিঙ্গারা আনিয়ে বিকেলের টী ব্রেক। এইখানে সবাই বেশি ফর্মাল। দেখা হলেই একটা টেনে আনা হাসি, বারে বারেই বলা 'another day'.

বের হয়েছিলাম বাইরের ঝলমল রৌদ্র উপভোগ করতে। স্টেট লাইব্রেরি এর সামনে লোকজন আছে অনেকই। কিন্তু তারা শুধুই তাদের স্মার্ট ফোন নিয়ে, নিজেদের সাথেই। ক্যাফের আল্ফ্রেস্কর নিচে কয়েকজনকে বেশ ফুরফুরা আড্ডার মেজাজে পেলাম। আমার মনটা ভরে উঠলো। আপনার শেষ কবে এইরকম মনে ভরে উঠেছে?

We should use transliterate Bengali writing tools

Posted by Mohammad Hassan on May 4, 2013 at 4:20 AM Comments comments (0)

Like many of you, I am Bangladeshi. People from Bangladesh now live around the world. Different locales in the world have their own culture and languages to follow. Does this affect in speaking Bengali at home on Bangladeshis by born and those who have spent years of early life in Bangladesh. I believe and hope 'NO'.

We, now days being expats, can read, write and speak in Bengali fluently. We have our root at Bangladesh. We may try to cut it off and it's just merely impossible. One example ? When we write now in social media in a known Bengali forum, we don't hesitate or think twice to write Bengali using English characters.

That's my point discuss this time. Is it a good practice or habit?

I have often come across people who have hard feeling for others who write in Banglish. These Bengali lovers brief again and again that the latest android or apple smartphones need nothing to read in Bengali. Moreover, Banglish writers have been mentioned several times of writing tools i.e Avro, Google Bengali input toolbar etc. with web links.

Question: What do you think, these Bengali writing tool advocates will expect from Banglish writers?

Answer: Appeal positively taken and Banglish writers start using given tools in social media and elsewhere in 100% Bengali.

Real Situation: Many of us don't think seriously how social media communication taking a very significant time of daily hours. We usually don't think that we do not send hand-written letters to our friends and family since email has had its win. On the other hand, people by nature like to be in comfort zone. Hence, We often write in Banglish in social writing forums. This leads us unintentionally to forgetting even commonly used Bengali words in correct spelling. “out of sight, out of mind'. Do you, therefore, really realize the future of our very own Bengali language prevailing the current comfortable practice of Banglish writing?

So what's now...

I don't enforce any Bangladeshi to write in Bengali just after reading these few paras. Rather I, myself, write time to time in Banglish in Facebook Bangladeshi forums promoting easily accessible and downloadable transliterate Bengali writing softwares and tools.

NOW ,huge confusion for readers : Why, myself, in Banglish?

A very simple excuse: Some of us already are very strict about 'No more Banglish'. I salute them. My respect goes to them. However, in this very difficult transition time, for our own Bengali language, we need someone helping those who wouldn't leave their comfort zone. We need the volunteer for those who think they are having only their messages exchanged in Facebook and nothing else. (Facebook is not a these , assignment, project submission place written in Bengali...Why to bother so much....) We need someone who will remind and ask these people to reconsider .... going in-depth for the root cause - for FUTURE of Bengali Language amongst expats Bangladeshis future generations as well as in generic.

But, how?

My two cents...

I would strongly support those who are promoting Bengali writing tools. Parallely, I would write myself in Banglish in favour of those strong promoters using soft words and with full motivating spirit so that others can at least read and feel sincerely why wring Bengali properly using easily practicable tools is of so much significance.

Readers, I could write here in Banglish. Then why not? Because, isn't it very difficult to follow?

Why English? I wanted my readers to feel and consider my thoughts easily and review what they should do for their own Bengali language.

Why not in Bengali? If I were writing in Bengali (what I would do as my regular writing language for my own country-mates) I could have lost many of my potential readers who I really wanted to reach for this write-up to have its target met.

Please promote proper Bengali writing tools. It's easy to use and FREE!

 

 

 

My thoughts of observations, Your commnets

Posted by Mohammad Hassan on May 3, 2013 at 5:45 AM Comments comments (0)

বিভিন্ন সময়ে নিজের পর্যবেক্ষণগুলো ৮.৮.৮৮ থেকেই লিখছি। মাঝে মাঝেই গ্যাপ হয়। কিন্তু সামান্য এইসব নানান কিছু দেখা, বা অনুধাবন শুধুই নিজের ব্যাঙ্ক ভর্তি করে রেখে হুদাই একলা বিকশিত হবার কি আছে, যুগটা প্রকাশের। দেখেই কি হবে ভাই; তাতে অন্য কার কি লাভ? যা দেখলাম, যা করলাম- এমনকি নিজেও; তাতে প্রশ্ন আসলে তা কাউকে অপদস্থ্ করবার উদ্দেশ্যে তো নয়, তাই সার্বজনীনভাবে বা ইন কোমন অর্থেই লিখব। নিজের শেয়ার করা কিছুর সাথে মিল পেলে জাস্ট পড়ুন- অন্য সবাই কি ভাবছে, লিখুন আপনি কি ভাবলেন।আমি তো দেখলাম কমেন্ট আসতে বেশি দেরী হয় না। হাহাহাহ।

ইদানিং আবার লিখতে মন চায়। আমি কোনো লেখক (যে অর্থে একজন কাউকে লেখক বলা যায়;) মাত্র নই, কিন্তু লিখছি। ভালই লাগে। যারা পড়ছে হয়তো ভাবছে- সাড়ে সাত কিলো হেটে রণ ইদানিং বহুত পেচাল শুরু করলো না কি? আমিও একই রকম ভাবছি। আসলে যাদের সাথে রোজ সময়ের গ্যাপে দেখা হয়; তারা একই রকম আমাকেই তো জানেন। মুড থাকলে কিছু টপিক উস্কে দিয়ে বসে বসে আলোচনা শুনতে ভালো লাগে, কখনো কখনো বলতেও। তাহলে যারা এই আন্তর্জালে আমাকে পাচ্ছেন, কেন সেই একই আমাকে 'টেক্সট শো'র বরাতে পৌছে দিব না? কারো যদি বিন্দু মাত্র কিছু ভাবনা বাড়ে বা কোনো সিদ্ধান্তে পৌছুতে সুবিধা হয় ..... ভালো ভাবনায় কার কি ক্ষতি?

সামনের দিনে নিজের অনেক ভাবনায় অনেককে দুরে নিয়ে যাবে। আবার হয়ত অনেকের সাথেই আরও বেশি যোগাযোগও তৈরীও করে দিতে পারে। এইখানে যা ভালো লাগবে না, আপনাদেরই অনেকে হয়তো কিছু গালি, কিছু যুক্তি, কিছু তথ্য দিয়ে শুধু আমাকেই না; অজান্তেই অনেককে ঋদ্ধশালী করবেন। Together we are ...

দয়া করে এই ভাববেন না যেন- যা আমি লিখলাম তাই বেদবাক্য। সময়ের স্রোতে আমি, আপনারা- আমরা সবাই অনেক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়েই যাই। ১০ বছর আগে যা ভাবতাম- তার সব কিছুই এখনো অবিকল সেই রকমই ভাবি, এই দাবি কে করে? লিখতে ভালো লাগছে তাই লিখছি। টেক্সট শো তে আপনাদের কম্মেন্ট পরে আমার নিজস্ব ভাবনার দিক আর গতি যদি পরিবর্তনের হয়, তবে তাই হবে। যা গ্রহণ করবার মতই, আর বুঝতে সময় লাগে না, তাতে সময় ক্ষেপণ করবো কেন? শুধু নিজের ধারনা বলেই যারা সঠিক তথ্য, যুক্তি এবং আবেগের কাছেও একঘুয়ে ভাবে নিজেকেই উপরে তুলে ধরেন, আমি সেই দলের কর্মী নই। একটি সঠিক কথা এক বার বলাই যথেষ্ট। যিনি বুঝবার, সত্যি বুঝতে চান, আশা করি তাদের সংখ্যাই এখনো অনেক বেশি। বারবার তর্ক করলেই না বুঝতে চাইলে, বুঝানো যাই কি?

আপনারা সবাই আমার টেক্সট শো তে সবান্ধব-সপরিবারে আমন্ত্রিত। শেষ যুক্তি তথ্যের পর হয়তো tv টিউন করবার মতোই অন্য কোনো টেক্সট শো তে সামিল হবেন। সোশ্যাল কমিউনিকেশন তো এই রকমই। যা ভাবলাম তা আরেকজনের সাথে শেয়ার করে যদি ভাবনাগুলোকে সঠিক বা ভুল জেনে ভালোর পথে এগিয়ে যাওয়া যায়, একসাথে সকলে।

 

 

Do what's to do & leave or avoid the rest

Posted by Mohammad Hassan on May 2, 2013 at 6:05 AM Comments comments (0)

বহু দিন ধরে এইদেশে নাই। only ৭ ইয়ার্স এর মত। এরই মাযে অনেককে দেখলাম বলতে এবং বুযাতে বাংলাদেশের সবটাই অলমোস্ট খারাপ। খারাপের লিস্টে এতই উদ্বিগ্ন ওনারা অনেকটা মেহমান হয়েই দেশে যান।সাথে নিজের উরসজাত দুগ্ধপোস্য থাকলে তো আর কথায় নেই।এক সেকেন্ডের জন্যও মনে থাকে না- যে পানি খেয়ে ওনারা বড় হয়েছেন, যেপানি এখনো দেশে নিজের পাশের বাড়ির চাচা নন শুধু; নিজের বাবা-মা রোজ প্রক্রিয়াজাত করে খেয়ে এখনো দিব্বি হাল বছর সুস্থ-সমেত মেলবোর্ন-টরেন্ট-লন্ডন-ক্যালিফর্নিয়া-নানা সন্তানের বাটি ঘুরে বেড়াচ্ছেন; সেই পানি সবার জন্যই পানযোগ্য। কোনই প্রয়োজন নাই মেলবোর্ন থেকে ২০ লিটার পানি কিনে নিয়ে দেশে যাবার।

এরা কি একবার ভাবেন না,শক্ত শেকড়টা আমাদের আজীবন ঐখানেই-যতই সিটিজেন আর বিদেশবাসী হই না কেন?

যুক্তি আমাদের সন্তানতো ওই পানি খেয়ে বড় হয় নাই? ওদের সইবে কেন? তবে শুনুন আমার মনগড়া উত্তর। এরা এদের আবাল বেলা থেকেই বেপর্দা পোশাকের সমাজ আর ইংলিশ বয়ানে অভ্যস্ত হবে। ধর্মের কথা না হয় নাই টানলাম, শুধু এইটুকু মেনে নিতে আপনি কতোটা প্রস্তুত? এরা দেখবে bmw বা লাম্বারগিনি। এটাই ওদের। আপনার সার্মথ্য কতটা ? এখন পানি কিনে খাইয়ে শেষতক কোন জায়গায় পৌছোবেন?

বাবা মায়ের কাজ এই না যে বাংলা স্কুল এর দুই ঘন্টা সময়েও বাচ্চাকে ডাকবে " কাম, কাম আমার জান বেটা, Dogy বার্ক করবে।"

শেকড় সংকটে ভোগা আমাদের বন্ধুরাই দেশের সব কিছু খারাপ জেনেও কয়েক বছর পর দেশে যান শুধুই যেন বাজার করতে। ২০ কিলো লোডে সামাল দেওয়া যায় না। আরও চাই। এইগুলো কিনে আনেন আবার এইগুলোরই দোষ ধরেন। তামাশা পর্বে যোগ হয়- ভাইরে বলবেন না সস্তার তিন অবস্থা! আসলে মনটাকে দামী করতে পারলে সস্তা জিনিস বের হয় কম। ঘরে খাবার নাই কিন্তু ৫২ ইঞ্চি TV ছাড়া লোকে কি বলবে- এইসব চিন্তা ঝাকি দিয়ে ফেলুন। শুধুই আজ কি করে ওই পার্টি তে যাব, তা না ভেবে সব সময়েই কি করে নিজেকে Consistently Prepared for situation/s করা যাই সেইটাই না হয় ভাবুন। অনুরোধ করলাম, কোনো উপদেশ বা আদেশ নয় মোটেই।

পাদটিকা: পানি কিনে দেশে যাওয়া একটা উদাহরণ মাত্র। বস্তুর প্রতি বিদ্বেষ কাম্য নয়। বরং যা না করলেই চলে তা avoid করুন এবং যা এখুনি করা দরকার তা শুরু করুন।

 

 

I got myself back after walking 7.5 KM

Posted by Mohammad Hassan on May 1, 2013 at 7:30 AM Comments comments (0)

সকালে বাসে করে অফিস যাবো, জানতাম। রাস্তার ওপার থেকেই দেখলাম বাস চলে গেল। মিস দিয়েই শুরু। সারাদিন ৬ ঘন্টা ক্লাস-সেমিনার যা রোজকার রুটি-রুজি।

অনেক দিন পর মেলবোর্ন সেন্ত্রাল থেকে হপার্স ক্রসিং ট্রেনে ফিরলাম। ছয়টা একের বাস। এইটাও মিস। ২৩ এ আবার। বউ ফোন দিল। কথা বলতে বলতেই; সামনে থেকে ২৩ এর বাসটা চোখের সামেনই চলে গেল। ফোনে বলেছি 'বাসেই আসছি, তোমাকে নিতে আসতে হবে না'।

পরবর্তী বাস ৭ টা এক। এরই মধ্যে ২০ মিনিট প্রতিক্ষায় নোট করেছি কত কি কাজ বাকি। আজকাল বড্ড অন্যমনস্ক থাকি। কাজের লিস্টের থেকেও মনটা দ্রুত চলে-তাই খেয়াল রাখতে পারি না।

আবারো ফোন দিয়ে বউকে আসতে বলতে ইচ্ছে করলো না। আবার বাসের জন্যে হুদাই বসতে থাকতে অসয্য লাগবে। বহুদিন আগে লিখেছিলাম 'যে নিয়ম ভাঙ্গলে আবারো নিজেকে চেনা সহজ, আমাকে সেই দলে ফেলো'।

হপার্স ক্রসিং থেকে বাসা বেশি দুরে নয়।মোটে সাড়ে সাত কিলো। হেটেই রওনা দিব- ভেবেই শুরু করে দিলাম ছয়টা পয়্ত্রিশে। একটা লাপ্টপের ব্যাগ, ভারী জাকেট আর হাতে এম এক্স। চেনা রাস্তা তাই ভাবতে ভালো লাগলো 'এইতো চলে যাব' ।

কিন্তু যখন অয়েরাবি প্লাজা দারুন ভাবেই না দেখা হয়েই ছিল তখন একটু গাবড়ে গেলাম বটে। হাতের এম এক্স শক্ত করে ধরতে লাগলাম। সময়ে সময়ে রাস্তা পার হতে যে দৌড়টুকু দিলাম তাই যেন আমকে ৩০ সেকেন্ডে আগিয়ে নিয়ে ফের উজ্জীবিত করতে থাকলো।

যখন শুরু করেছিলাম শীত লাগছিল। একটু পরেই ঘামতে লাগলাম।হুডি ফেলে দিলাম। জাকেটকে বেশ ভারী মনে হতে লাগলো। কিন্তু কিছু দূর যেয়েই আবার ঠান্ডা লাগলো। সুতরাং কোথাও যাবার সময় যতই ভাবুন না কেন কাজ করলে ঘেমে যাবেন - তাই এইসব উটকো যামেলা না থাকায় ভালো - সেই ভাবনাটা ঠিক নাও হতে পারে। বিশ মিনিটের মাথায় প্লাজার লাইট দেখে যে আনন্দ পেলাম তা ঠিক বোজানো কঠিন এখন।

পেডেস্ত্রিয়ান লাইটে এ গিয়ে ৩ মিনিট হুদায় আটকে থেকে মনে হচ্ছিল আমি হয়তো আর সাতটা একের বাসের আগে বাসায় পৌছতে পারব না। কিন্তু একটু পর মনে হলো ওইটুকু থেমে আমার নতুন শক্তি,নতুন উদ্দম অর্জিত হয়েছিল।

রাস্তায় খেয়াল করে দেখেছেন নিশ্চয়ই- অনেকেই আপন মনে কথা বলে। আজ আবার বুযলাম মানুষ বেশিক্ষণ একলা থাকতে পারে না বলেই হয়তো একটা সময়ে নিজে কথা বলা শুরু করে। আমি বেসুরো কন্ঠে গানের সুর ধরলাম। তাতে বেশ লাভ হলো। কোনো এক বাসার ভেতরের কুকুর যে আওয়াজ দিল তাতে একটু দৌড়ে নিলাম।আরও যেনো একটু বাসার কাছে পৌছালাম!

এই কথা বা গান এবং দ্রুত হাটায় আপনার যা হবে তার নাম- তৃষ্ণা। আমি খুব একটা পানিপ্রেমিকনই । এখন মনে হলো -ইসস শুভ থাকলে হয়তো বলতো 'এই পানি খাবে".

আনিক দিন হাটি না। হাটু ব্যথা করতে লাগলো।মনে হলো শুক্রবারে অনেক মুরুব্বিকে দেখেছি হেটেই দূরে কোথাও নামাজ পড়তে চলে যান (বাসায় কেও না থাকলে)। আর আমি তো নওজোয়ান। আরো মনে হলো আরে আমিতো বাঙালি, ব্যাপার না।

যখন দীর্ঘ পথ হাটার থাকে- পরিচিত পথে চেনা কিছু পরলেই মনে হয় এইতো চলে এলাম। নাটকের মত সাদা কাপড়ের কেও আয়নায় না এলেও এইরকম যেকোনো পজিটিভ ভাবনা সাথে থাকলে ঠেকায় কে? ভাবনা আমার বহু পুরানো বন্ধু।কোনো দিন ছাড়ে নাই, যাবেও না।

একটু পর পায়ের পাতা ব্যাথা করতে থাকলো। আর তার কিছুক্ষণ পরেই আমি যেন বেশ ফুরফুরে মেজাজে ফিরে এলাম। একট হেভি জোস অনুভব করলাম। আসলে কেষ্ট যদি খুব আরাধ্য হয় তবে ক্ষণিক কষ্ট শুধু ভয় দেখাবার, কিন্তু পরাজিত করবার মত নয়।

হা ভয় পেয়েছি যখন বাসার কাছে খালের উপর ব্রিজটা পার হচ্ছিলাম। রোজ রাতে ভূত এফ এম শোনা আমার খুব বাতিক এখন। মনে হলো কেউ পা ধরে টান দিবে।

শুরু করে ছিলাম পায়ের স্টেপ গুনা দিয়ে। দুইশোর পরে আপন মনেই বলতে থাকলাম 'রাব্বির হাম হুমা কামারাব্বা ইয়ানি ছাগিরা'।

একটু পর মনে যা গালিই এশেছে তাও দিলাম। গানও গাইলাম। একলা থাকলে আর সবাই কি করে তাও জানতে মন চাইছিল বটে।

এক ঘন্টা ১০ মিনিট পর বাসায় এসে একু সুন্দর হাসি দিয়ে বউকে ক বললাম আমি হেটে এসেছি - 'আবার আমাকে ফেরত পেলাম'।

এইটুকু কষ্ট করে পড়ে থাকলে আর যদি পুরানো কিছু স্পিরিট ফেরত পেয়ে থাকেন -মন্দ নয়। কিন্তু যারা বললেন এইটা কিছু একটা হইলো? তাদের জন্যে - হা আমার জন্যে হইলো। আপনি আপনার জন্যে ভালো কিছু একটা হওয়ায় নেন। ভালো থাকুন।

Being entertained & may we ask you to be vocal?

Posted by Mohammad Hassan on March 3, 2013 at 9:10 PM Comments comments (2)

দেখে-শুনে-পড়ে বিনোদিত হবেন; না কি নিজে কিছু করবেন?

মেলবৌর্নের আল তাকওয়া মসজিদে জুম্মার নামজের পর ইমাম সাহেব দোয়ার সময় বাংলাদেশের মুসলিমদের মেরে ফেলা হচ্ছে- জুলুম চলছে বলে বিশ্বের সব মুসলিম ভাইদেরকে বিশেষ ভাবে দোয়া করতে বলেছেন। আপনি কি মনে করেন, আসলে কি তাই হচ্ছে? কারা ইমাম সাহেবকে এই তথ্য দিতে পারেন বলে আপনার মনে হয় ?

দেখুন, আওয়ামী সরকার এইবার ক্ষমতায় আসার একটি অন্যতম বড় কারণ তারা যুদ্ধপরাধীদের বিচার করবে বলেছিল। তারা নির্বাচনের ঠিক আগে যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিএনপি দাবি তুলে চলেছে তখন বিচার শুরু করেছে। সব সুস্থ মানুষ রাজাকারের বিচার চান। সুতরাং এখন গণ-মানুষের নজর এই বিষয়ে। বিনপির পর্যবেক্ষণে আওয়ামী লীগের লোক বাদ দিয়ে অন্য সব রাজাকারের বিচার হচ্ছে। কিন্তু তারা নিজ মুখে উচ্চকন্ঠে বলছে না যে জামাতের সাথে তাদের আতাত কেন? বা তাদের দলের রাজাকারের বিচার নিয়ে তারা কি করতে চায়? তাই বিনপির দাবি অনেকটাই যেন আরিচা ঘাটে আসা ফেরির আলোয় কুপির কম আলোর মতই হয়ে আছে। পাবলিক পরিষ্কার স্ট্যান্ড চায়, টক শোতে মিনমিনে টাইপ দাবি না।

 

রাজাকারের বিচার চেয়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশীদের সবাই কি আজ জামাতি হয়ে গেল? মেলবৌর্নে সেদিন জুমার দিন মসজিদে কি কোনো একজন তার নিজের পর্যবেক্ষণের কথা ইমাম সাহবে কি জানিয়েছেন? আমার তা মনেহয় না। এটা সংঘবদ্ধ কাজ। নিজে পাচ ওয়াক্ত নামাজ পরেও এই সব কথা লিখবার কারণে অনেক পরিচিত বন্ধুই ক্ষেপবেন। যেমন শাহবাগ সংহতি নিয়ে নেলবৌর্নের আয়োজনকে নিয়ে লেখায় অনেককে সন্তুষ্ট করা যায় নাই। কিন্তু যা নিজে দেখেছি, পরবর্তীতে যার নাম রেফার করেছি তার সাথে কথা বলেও এবং আরো কয় একজনের সাথে কথা বলেও নিজের অব্জার্বেসনকে ভুল ভাবতে পারি নাই। সত্য এইরকমই। শাহবাগের ব্লোগাররা প্রথম মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান জয় বাংলা দিয়ে শুরু করে এখন followed by জয় বঙ্গবন্ধু। এই পর্যন্ত আপত্তি নাই। কিন্তু রাজাকারের বিচার করেই যদি দেখতে হয়, জয় আওয়ামী লীগ ? তাহলে কি হতে পারে তা নিয়ে ভবিষ্যত বাংলাদেশের আশঙ্কার কথা পূর্বে মাংগো-পিপলের বয়ানে লিখেছিলাম। কেউ কেউ ক্ষেপেছিল। এইবার আবার বলছি - জামাতিরা যদি মসজিদে বলে - বাংলাদেশে মুসলিমদের উপর নির্যাতন হচ্ছে তবে ওদের প্রতিরোধ করুন, যেমন ঐদিন মসজিদে প্রতিবাদ হয়েছিল।

চুপ করে বসে থেকে বিনোদন নিয়েন না, সময়টা বিনোদিত হবার নয়, ভিন্ন মতের কাউকে গালি দিয়ে আর অনেক অনেক তর্ক করে- একটা কিছু করলাম ভাববার নয়। বরং শুদ্ধির খোজে নিজেকে জাগানো এবং সহনশীলভাবে শ্রদ্ধায়-সম্মানে সকলের সাথে মিলে-মিশে ভালো কাজের তাগিদের; আর তার বাস্তবায়নের । ভালো থাকুন, ভালো ভাবুন।

How much hungry are you?

Posted by Ronny on February 28, 2013 at 10:50 PM Comments comments (0)

তোরা আর কত ক্ষুধার্ত !

এলকোহল খাসনা হারাম বলে

মানুষের রক্ত শুধু তোদের সুধার মত লাগে।


আর কত বেশধারণ করবি তোরা

টুপি পড়িস সুন্নত কায়েমে , বেশ ভালো !

মানুষের শিরোছেদ করিস, এ কোন ফরজ আদায়ে?


তোরা রমনীর দিকে তাকাস না,

পাছে আল্লাহ দেখে ফেলে !

তোরা শুধু উন্মাদ হয়ে উঠিস একটি সুযোগ পেলে।


বেশ ভালো ,আল্লাহর নাম নিয়া তোরা মুখে ফেনা তুলিস,

কিন্ত মানুষের ঘরে আগুন দিতে তোদের কোন ধর্ম গ্রন্থ বলে ?

তোরা মিথ্যা বলিস না আল্লাহর ভয়ে

সত্যকে শুধু ঝাঝরা করার চেষ্টা করিস বুলেট বোমা দিয়ে।


তোরা আর কত ক্ষুধার্ত !

তোরা কি আমার মানচিত্র খাবি ??


01.03.2013


In Recent Time: Text SHOW

Posted by Mohammad Hassan on February 27, 2013 at 4:55 PM Comments comments (0)

সব প্রেক্ষাগৃহে চলছে- টেক্সট শো:

টক শোয়ের সাথে তো সবার পরিচয় আছে। এখন যা চলছে তাকে নাম দেওয়া যেতে পারে টেক্সট শো। আপনি লিখতে পারেন, অন্য আরেক জনও পারেন, আমিও পারি । শুধু পরিচিত বলেই হয়তো অনেকেই ফ্রেন্ড লিস্ট এ আছেন- সবারই। অনেকেই সত্যি বন্ধু নন কিন্তু। ভার্চুয়াল জগতে ফামিলিয়ার আর ফ্রেন্ড এক। এই ফামিলিয়ার জাতের বন্ধুরা অনেকেই একে অপরকে ঠিক চিনেন না, জানার কথা তো অবান্তর। কেমন করে যেন ফ্রেন্ডলিস্টে এসে যান। সুতরাং অনেকের কাছ থেকেই পরস্পরের প্রতি সম্মান, স্নেহ, শ্রদ্ধা অর্জন অনেকের জন্যই বোনাস।

যা লেখা হচ্ছে আরেক জন দেখছেন, শেয়ার মারছেন। ফেইসবুকে অনেকের অনেক প্রাইভেট কিছুই তো পাবলিকলি available. কারো পছন্দ হহলে লাইক/ কমেন্ট , না হলে কমেন্ট। যুক্তি -তর্ক। কোনো কবি এখন আর নিরব নন।

যারা মতের অমিল পান তাদের কমেন্ট টেক্সট শোতে পড়লে মনে হয় লিখতে লিখতেই উত্তেজনায় দাড়িয়ে গেছেন, সামনে পেলে মূল লেখক এবং তার সমর্থকদের যেন কি করে ফেলতেন! রাজাকারী, পতাকা পুরানো, শহীদ মিনার ভাঙ্গবার পরেও বাস্তবে আমরা কিন্তু এখনো অনেক বেশি সহনশীল। সাবাস বাঙালি। কিন্তু লেখায় একজন আরেক জনকে এভিডেন্স এ না পারলে ব্যাক্তিগত পর্যায়ে গিয়ে পারলে লিখেই ছিড়ে ফেলে আর কি ! টক শো এর ধারাবাহিকতায় টেক্সট শোগুলোতে সহনশীল-নমনীয় আমাদের পরিচয় যেন হারিয়ে যেতে বসেছে।

ওহ, পছন্দের কথা কি বলছিলাম না? টেক্সট শোয়ের বিষয় যদি চলতি সময়ের হট টপিক হয়ে থাকে আর তাতে যদি গলাবাজদের স্রোতে ভাষানো নৌকায় আরোহী আপনি না হন, কিন্তু নিজের Guts নেই যে সাক্ষ্য সমেত বিপরীত দিকে পাল তুলবেন, কিংবা নেগেটিভ বললে যদি ভবিষ্যতে ধানের শীষ (সুবিধা বুঝাতে প্রতিকী অর্থে)পেতে সমস্যার ঝুকি থাকে, কিন্তু হাত চুলকায়- তবে মুক্তমনে লিখে দেওয়া যায় "ব্যাপক বিনোদিত হইলাম". এতে কাওকে সুস্পষ্ট করে কিছু বলা হলো না, তবে প্রগিতিশীল হিসেবে কিছু না বললেও যে খারাপ দেখায় সেই যাতনা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়!

এইবার মূল টেক্সট শোতে আসি। মাংগো-পিপল (যারা ব্লগ লিখে সাধারণ জনতা) তাদের একজন তার প্রাইভেট কাম পাবলিক ফেইসবুক স্টেটাস পোস্ট দিয়েছেন "ফটোশপ, কাট-পিস, আস্তিক গুলা এক হয়েছে, চরিত্রহীন ছেলে-মেয়েদের আস্তানা, বাম চিকার আস্তানা, অখ্যাত এক ব্লগার লাশ হয়ে গেলো ...... আন্দোলনকে নাস্তিক বানাতে, তার অ-খাদ্য লেখা গুলো সবার মনিটরে জীবন পেল, কত যে ধুয়া উঠানোর চেষ্টা... সবকিছু সামাল দেয়া গেছে। কিন্তু BAL এর ঘেঁষাঘেঁষিতে যে Deodorant এর গন্ধ আসছে ......তাতে আমার যে Suffocation অবস্থা !! আন্দোলনটা না-জানি দমবন্ধ হয়ে মারা যায় ???? !!!!! Frustrated !!!!- ১৯ ফেব্রুয়ারী " আরেকজন শেয়ার করেছেন আরেকজনকে " BNP jokhon Nijer Paye Nijei Kural mare.... Tokhon AL fayda na Lutar moto Mohot kono Shongothon na...... Shobai Shartho bujhe.... Kintu Andoloner Bipokkhe jaye BNP'r kon sharthho uddhar hoitechhe sheta tarai valo jane..... AL jodi Faka Mathegoal dey, ei jonnow BNP ee Dayi thakbe..... Bangladesh a 3rd Power Bole kichhu ashar chance ekebarei kom.. so BNP jokhon Math chhere dey, AL agami Election a jite gele j tara desher 24 ta bajabe ta niye kono doubt nai...... So, Shahbag Here gele Porinoti Onek Voyaboho hobe..... Jite gele Taw ekta khino shomvabona thakbe j AL BNP ke voy na paileo atleast Public re voy pabe. Tai J jekhane achhen, shei obosthan theke Shahbag er Main Theme- "Rajakar er Fashi, Jamat shibir Nishiddho kora" k support korun, shohojogita korun. Na hole apnio BNP er motoi AL k math chhere dicchen Dirghosomoyer jonnow... jaar porinam hobe onek voyaboho...২৭ ফেব্রুয়ারী ". এরা দুই জনই মেলবোর্ন এ অতি সক্রিয় ভাবে শাহবাগ সংহতি জানিয়েছেন। এদের অনেকের মতই কিংবা অন্যরকম ভাবেন আম জনতা (সাধারণ মানুষ যারা লেখেন না, কিন্তু পড়েন, তর্ক করেন কম কিন্তু ভোটের সময়ে পলিটিশিয়ানদের কাছে দরকারী).

আপনি তো এই টেক্সট শোয়ের পড়ুয়া- হইতো মাংগো-পিপল বা আম-জনতা।আপনিও আপনার পর্যবেক্ষক চোখে যা আসছে তা নিয়ে নিজের ধারণা চাইলে কমেন্ট করতে পারেন (একেবারে লাইভ টক্ শোয়ের মতই, তাই না?). কিন্তু প্রশ্নের উত্তর দিতে বসি নাই এইখানে। সব প্রশ্নের উত্তর এক শোতে দেওয়াও যাবে না। এই আয়োজন আপনার বা আপনাদের পছন্দ না হলে গালি দিতে পারেন, হুমকি দিতে পারেন। মর্জি। হরহামেশা তাই তো হচ্ছে! কিন্তু আমার দাদা-বাপ একটা টেকনিক শিখিয়েছিলেন। সেইটা আপনাদের এক্কেবারে ফ্রি দিতে পারি। জোরাজুরি নাই, বড় হয়েছেন, নিবেন কি না সেইটানিজের উপর।যাক, টেকনিকটা হলো কারো কথা-বার্তা, কাজ-কর্ম পছন্দ না হলে ভালোভাবে বুঝান, না বুঝলে Ignore করেন তাতে যে যা বলে চলেছে তা নিজেই একাই পড়বে, সঙ্গে সাথী পাবে না। আর আমার টিপ হলো, যা ভালো লাগে নাই, বুঝানোর পরেও বুঝতে পারে না, সেই সব পোস্ট পড়বেন না ।যেটা খারাপ জানেন সেটা পড়ে সময় নষ্ট কেন রে ভাই? উধাহরণ- যদি কেউ রাজাকারের বিচার না চায় বা নাস্তিকবাদ নিয়ে মেতে থাকে -আপনি দুই এক বার বুঝানোর পরেও বুঝতে চায় না, কৌতোহল বশতও তাদেরকে আর পড়বেন না ।আপনি যত পড়ছেন ঐসব বদমাশ তাতে দিগুন উত্সাহ পাচ্ছে।সুতরাং, আপনিই জানেন আপনি কি চান?

বর্তমান সময়ে কাজ ছিল একটাই- সব রাজাকার এর বিচার চাওয়া। দুই একজন নাস্তিক মানুষ আন্দোলনে শরিক থাকায় কিছুদিন আলোচনা; বিজ্ঞাপন বিরতির মত অন্যদিকে মোড় নিয়েছিলো। অনুষ্ঠানের মদ্দেও নতুন বিজ্ঞাপন দেখলে যেমন ভালো-খারাপ লাগে তেমনি ধর্মপ্রাণ বাংলাদেশী আম জনতার সেটা ভালো লাগে নাই। বর্জন করুন, ওদের নাস্তিক ভাবনা। নাস্তিক ভাবনার পরেও ওরা কিন্তু মানুষ।কোনো ধর্মই বলে নাই এইসব মানুষ মেরে ফেলো। গ্রহণ করুন সব রাজাকারের বিচার নিয়ে সহমতটুকু। একই ভাবে যারা শুধু বিশেষ দলের রাজাকারদের বিচার চায় আম-জনতা হিসেবে আপনার মনকে প্রশ্ন করুন ওদের কি করবেন? আজকের টেক্সট শো এই আশাবাদ ব্যক্ত করেই শেষ করছি। শেষ প্রশ্নের উত্তর খুজতে চাইলে সঙ্গেই থাকুন Same Text Box , Same Place. (চলবে )

পাদটিকা: পাঠকের অনেক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আছে। বুঝতে চাইলে এমনি বুঝা যাবে, না চাইলে বুঝালেও যাবে না। সুতরাং আমার এই পোস্ট নিয়ে আমার অন্তত No Comments! বাংলাদেশে পলিটিশিয়ানদের থেকে (তথাকথিত বা আপাতদৃষ্টিতে) নগণ্য আর মামুলি সিটিজেনরা যে ভালো পলিটিক্স বুঝে সেটা সবার কাজ কারবার পর্যবেক্ষণ করে বুঝতে থাকুন এবং ভবিষ্যতে আপনার কাজের মাধ্যমে তা বুঝিয়ে দিন। আপনারাই জয়ী হবার সব শক্তি রাখেন। সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো ভাবুন, ভালো থাকুন।

Rain

Posted by Rana on February 26, 2013 at 3:15 AM Comments comments (0)

বৃষ্টি

 

তোমাকে কে বলল আমি গতকাল নীলক্ষেত গিয়েছিলাম?সাগর প্রশ্ন করে,

কেউ বলেনি, আমিই দেখেছি, তোমার গায়ে আকাশীরঙের শার্টটা পরা ছিল, আমি কেবল কলেজ থেকে বের হলাম, রাস্তাটা পাড় হব, আর দেখিতুমি ওই গোলচক্করের ওপাশে দাঁড়িয়ে কি একটা বই দেখছ, এতো ডাকলাম নবাব সাহেব ফিরেওচাইলেন না, হুহ! নীলা গোমড়া মুখ করে বলল, কি দেখছিলে এতো মনোযোগ দিয়ে? আবার প্রশ্ননীলার,

গত কয়েক মাস যাবত তাদের প্রায় প্রতি শনিবারেদেখা হয় ধানমণ্ডির এই লেকের ধারে, দুজনে বসে একটু কিছুক্ষন কথা বলা, আর তারপর যেযার বাড়িতে, কোন কারন ছাড়াই দেখা হয় এখন, আসলে ভাল লাগে দুজনেরই, পাশাপাশি বসে এইযে একটু কথা, বেশিরভাগ কথাই কোন মানে রাখেনা, কিন্তু কেন যেন প্রতিটা কথাই যখন বলাহয় তখন একজন গভীর আবেগ নিয়ে বলে আর একজন পরম মমতায় শুনে যায়, যেমন, হঠাৎ নীলাপ্রশ্ন করে বসলো “ কাল রাতে কি খেয়েছ?”

এইত ভাত খেলাম, ফুলকপি, আলু, আর শোল মাছ,”তুমি ? সাগরের উত্তর, এভাবেই প্রশ্ন পর্ব এগিয়ে যায় আর উত্তরও দেয়া হয় সাথে সাথেই,দুজনেই মনের ভেতরে কি একটা চাপা ব্যাথার মত অনুভব করে যখন দেখা হয়, কেমন একটা ঘোরলেগে আছে যেন, গত কয়েক মাস প্রায় একি রকম গেল, প্রথম দেখা হয় একটা অনুষ্ঠানে, সাগরবন্ধুদের সাথে গিয়েছিল, বিয়ের অনুষ্ঠান, এর ভেতরেই হঠাৎ যেন চোখ একটা বিশেষ মুখেরউপর পড়ে আর ফিরে আসতে চায়নি, বার বার অনুসরন করে গেছে, আর মেয়ে দের প্রকৃতিদত্তভাবে পাওয়া অনুভুতি নীলাকে জানিয়ে দিয়েছে কেউ একজন তাঁকে দেখছে, কেউ একজনমোহাবিষ্ট! এবং খুঁজে পেতেও সময় লাগলোনা, বিয়ের মত লম্বা অনুষ্ঠানের অনেক সুবিধেআছে, এধরনের ঘটনা শুধু লুকিয়ে দেখার মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকেনা, কথাও হয়ে যায়, প্রথমশুরু হয় সে আবহমান কালের নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট টিটকারি ছেলে মহল থেকে তরুণী মহলে ছুড়েদেয়া তারপর সে টিটকারি দুই গুন করে ফেরত নেয়া, আর দুপক্ষেরি মনের ইচ্ছে মত ধীরেধীরে অন্য কথায় যাওয়া, কই থাকেন কি করেন এইসব , ব্যাস পরবর্তী দেখার দিনক্ষণ তখনঠিক না হলেও প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়ে যায়, কোথায় পড়ছে জানার পরেতো তিন চারদিন চক্করকাঁটা, আর দেখা হয়ে যাওয়ার পরে,

“ আর আপনি, কেমন আছেন? ওহো আপনি তো এখানেইপড়েন, সে দিন বলেছিলেন,”

আর মেয়েটি সব বুঝেও না বোঝার ভান করে বলে ‘আপনিএদিকে?’ আর ছেলেটির উত্তর ‘ না এইত বই কিনতে এসেছিলাম , কিন্তু পেলাম না,’

মেয়েটি মনে মনে বলে ‘হু ন্যাকা’ কিন্তু ভালওলাগে কেন যেন, এতো শতাব্দির পর শতাব্দি ধরে চলে আসছে, ভাল লাগবেনা কেন! তো শুরুটাএরকম,  

এর পর থেকেই তাদের সময় যেন শনিবারে আটকেগেছে, দুজনেই ছটফট করে কবে শনিবার আসবে, আর শনিবার আসে যায়, সময় বয়ে যায়, কিন্তুআজ সময় থমকে দাঁড়াবে মনে হচ্ছে, দুজন এসে বসার একটু পরেই আকাশের দেবতা ভ্রুকুটিকরলেন, ধমক দেয়া শুরু করলেন, ধমক খেয়ে মেঘের দল যে কখন কাঁদতে শুরু করে দেবে,দুজনেই দুজনের দিকে তাকাল তারা, সারা সপ্তাহে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য দেখা আর একিশুরু হল,কেউ কিছু বলছে না কিন্তু মনে মনে প্রার্থনা করে যাচ্ছে , প্লিজ বৃষ্টিনামিস না, আর একটু পরে নাম না, কিন্তু আকাশ তো সর্বজনীন, এই দুটি মানুষের জন্য তোসার্বজনীন সিদ্ধান্ত বদলে দেয়া যায়না, বৃষ্টি নামল, ঝমঝমিয়ে, চারিদিক বাতাসের সাথেবৃষ্টির বাঘবন্দি খেলা শুরু হয়ে গেল, একবার এপাশ থেকে তো একবার ওপাশ থেকে,

চল তোমাকে নামিয়ে দিয়ে আসি, সাগর বলে উঠল,একদম ভিজে গেছ দেখি এরি মধ্যে, “ এই ভাই যাবেন ?” রিকশা ওয়ালা একজন কে জিজ্ঞেস করলসে, “ যাইবেন কই?”

“সাতরাস্তার মোড়”

ষাইট টাকা !

কোন প্রশ্ন, দরদাম কিছু নাকরে উঠে পড়ল তারারিকশাতে, হুড তুলে দেয়ার পরে পলিথিন চাইতেই রিকশাওয়ালার অনেকটা দার্শনিক উত্তর “মেঘের কতা টের পাইনাই, পরদাও আনি নাই”

সাগর অনেক কষ্টে রাগ সামলাচ্ছিল, এই সময় নীলাখিল খিল করে হেসে উঠল, তার দিকে ফিরে তাকাতেই সাগর কেমন জমে গেল, কেমন রহস্যময়একটা মুখ, কপালের উপর লেপটে থাকা ভেজা চুল, চোখের পাপড়িতে  জমেথাকা শিশির বিন্দুর মত জল, নাকের উপরও জমেআছে কিছু, একটা চূর্ণকুন্তল কানের একপাশে ঝুলে আছে লেপটে যায়নি , জল তাঁকে ছুঁতেপারেনি, আর এতো কাছে! আর একটু কাছে গেলেই নিঃশ্বাসের ছোঁয়া পাওয়া যাবে, চোখের ভাষাদুর্বোধ্য কিন্তু পড়তে বাধ্য করছে, আবার বৃষ্টির ঝাপটা! সাগর মুখ ফিরিয়ে নিল, একটাহাত দিয়ে হুডের সাম্নের দিকটা ধরে থাকল যেন বৃষ্টির ঝাপটা নীলার গায়ে না লাগে, আরনীলা? সে কেমন শরীরে রিমঝিম একটা ভাব নিয়ে সাগরের তাকান আবার চোখ সরিয়ে নেয়া দেখল,এখনও তাকিয়ে আছে তার দিকে, এই মানুষটা কি তার? এর গায়ের গন্ধতো অপরিচিত লাগছেনা,কেমন চেনা লাগছে, এই যে হাত দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করছে দেখতে কি যে ভাল লাগছে,নির্ভর করতে একটুও লজ্জা লাগছেনা, এটা তার মানুষ, একে ছেড়ে সে থাকতে পারবেনা,  আজ সারা পৃথিবী একদিকে সরে গেলেও সে সাগরের পাশেথাকবে,

কিছু কিছু মুহূর্তই থাকে এমন, তখন সব ভেসেযায়, লাজ, লজ্জা, ভয়, দায়িত্ববোধ, সব ভেসে যায়, আর এই ভেসে যাওয়াতে কোন ক্ষতি নেই,অন্তত ওই সময়টাতে, এই দুই তরুন তরুণী হয়ত কালই দুই দিকে ভেসে যেতে পারে, কিন্তু আজএই মুহূর্তে যাওয়ার কোন উপায় নেই, কালই হয়ত অন্য কোন মানুষের গায়ের গন্ধ বড় আপনলাগতে পারে, কিন্তু আজ নয়, কাল হয়ত এই চোখ আর দুর্বোধ্য মনে হবেনা, আর পরতেও ইচ্ছেকরবেনা, কিন্তু আজ ওই চোখে ডুবে যাওয়ার ইচ্ছে কেউ রুখতে পারবেনা,

পরবর্তী পনের মিনিট ওরা বেঁচে রইল, দুজনদুজনকে জানল অন্য ভাবে, কেউ দেখেনি, শুধুমাত্র আকাশের দেবতা অবাক! করছে কি ওরা!  

 

Subjective vs Objective

Posted by Mohammad Hassan on February 24, 2013 at 8:20 PM Comments comments (0)

The difference between these terms is the difference between fact and opinion. Facts are provably true and, if intended to be objective, need to be balanced to allow the reader to make up his or her mind; opinions are subjective and biased and lead the reader towards the writer's judgment, i.e. opinions are intended to be persuasive.

 

An objective piece of information, therefore, needs either to be the whole truth and unbiased or balanced, whereas a subjective point of view is biased because it is either not the complete picture or it is merely a viewpoint or expression of feelings.

To look at something objectively means that emotions or personal opinions don't enter into it. So, for instance, if you know the fact that Jamate Islamli opppsed  having independent Bangladesh and someone says: "They are RAJAKAR" - that's an objective fact or statement.

 

Subjective - a subjective statement is something like "I would like war criminals to have the maximum punsihment". You may like it, but somebody else might not. They might avoide asking the same punishment for all individuals and politcal leaders from all parties.  So it's subjective - personal opinion is everything there.



Rss_feed

Total visitors

Free Counter

Subscribe To Our Site

Listen to Radio Foorti - FM 88.0 - Dhaka
Free Live Radio Stations

Upcoming Events

No upcoming events

BBC Bangla Service

PollBar

Recent Videos

326 views - 0 comments
422 views - 0 comments
611 views - 0 comments

Recent Prayer Requests

  • Exam

    সবার দোয়া প্রার্থী- সামনে ফা...
  • Exam ahead

    Plz pray for my exam.

Recent Podcasts

Quote of the Day

Quote of the Day

Realtime Clock

Paypal Donation Button

Testimonials

  • "A great initiative.This web portal can be very handy for all Bangladeshi community in Melbourne.Thanks................"
    Ronny Khan on Facebook on 14.06.12
    A great initiative.
  • "amazing website...."
    Dipan Adhikary
    On facebook 20.05.12

Google Translator

The Weather Channel

Country Visitors

Flag Counter