Bangladeshi Broadsheet

One stop web portal for Bangladeshies in Australia

Next Text Post New Entry

In solidarity with YOU....

Posted by Elora Zaman on February 24, 2013 at 8:10 PM

সমরে আমরা,শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা দেশের তরে --বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

 

সকাল ৯টা ৫ মিনিট। ডিজি মেজর জেনারেল শাকিল দরবার হলে প্রবেশ করেন। তাঁর কাছে ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মুজিবুল হক প্যারেড হস্তান্তর করেন। এরপর ডিজি ও ডিডিজি মঞ্চে নির্দিষ্ট আসনে বসেন। বিডিআরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম সিদ্দিকুর রহমান কোরআন তেলাওয়াত করেন। (এই পেশ ইমাম বিদ্রোহীদের নৃশংসতা মেনে নিতে পারেননি, বিদ্রোহের কিছুদিন পর মার্চের প্রথম সপ্তাহে তিনি হৃদরোগে মারা যান। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি অবিশ্বাস করতেন বিদ্রোহ হয়েছিলো বিডিআর জওয়ানদের দ্বারা, ডাল-ভাত কর্মসূচী নিয়ে!) কোরআন তেলাওয়াতের পর দরবারের সবাইকে সাদর সম্ভাষণ জানিয়ে বক্তৃতা করেন মেজর জেনারেল শাকিল। তিনি আগের দিনের প্যারেডের প্রশংসা করেন। এরপর তিনি 'অপারেশন ডাল-ভাত' কার্যক্রম প্রসঙ্গ তোলেন। M.জেনারেল শাকিল জানতে চান, ডাল-ভাতের দৈনিক ভাতা সৈনিকরা ঠিকভাবে পেয়েছে কিনা। এরপর আরও কিছু কথা....অস্ত্র নিয়ে মুখে মাস্ক পড়া এক বিদ্রোহীর অতর্কিতে প্রবেশ এবং গুলি... হুঙ্কার দিয়ে বলে, 'সবাই সিঙ্গেল লাইন করে দাঁড়া।' লাইনে ডিজি সবার সামনে দাঁড়ালেন। তারপর কিছুটা জ্যেষ্ঠতা মানার মতো সবাই লাইনে দাঁড়ালেন। নির্মম, নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের দিকে এগিয়ে গেলেন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তারা। এরপর বিশ্ববাসী দেখল এক নিষ্ঠুর বর্বর অধ্যায়..

 

২০০৯ সালের এই দিনটির কথা মনে আছে ? পিলখানার চারদিকে লাশের মাতম, গণকবরে লাশের স্তূপ। বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের বুলেটে স্তব্ধ হয়ে যায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ টি প্রাণ। কালের খেয়ায় হারিয়ে গেছে ভয়াল সেদিনের বুলেট, কামানের গর্জন। থামেনি স্বজনহারাদের কান্না!

বাঙালীর "গোল্ড ফিশ মেমোরী" অতি সহজেই আমরা ভুলে যাই কলিজার ক্ষত , রক্তের দাগ, স্বজনহারার গগনবিদারি হাহাকার। ইস্যুর পর ইস্যু ধুয়ে মুছে যায় নতুন ইস্যুর হিসুর তোড়ে! কর্নেল গুলজারের আ্যকশন গুলো যারা টিভিতে দেখে রোমাঞ্চ অনুভব করেছিলেন একসময় তারাও ভুলে গিয়েছেন। বেঁচে যাওয়া এক মেধাবী ব্রিগেডিয়ার চৌধুরি ফজলুল বারী এখনও অন্যদেশের রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থি! অতি উৎসাহী কেউ আবার ভেবে বসবেননা যে, মুজিব হত্যার সাথে উনি জড়িত-তখন তিনি নিতান্তই একজন কিশোর ছিলেন! আমরা বেমালুম ভুলে বসে আছি সেসব কথা। একটা সাজাপ্রাপ্ত আসামীর সাজা এক ধাপ বাড়ার জন্য আরও রক্ত নিতে আর রাজনৈতিক ফায়দা লোটার সুযোগ করে দিতে আমরা বেশ মরিয়া। ৯০ বছর বয়স্ক বিতর্কিত গোলাম আজমের দলের ঘাড়ে পা দিয়ে ক্ষমতায় আসার সময় মনে ছিলোনা ওরা যুদ্ধাপরাধী (আসলে সেটা হবে মানবতাবিরোধী, অনেকেই ব্যাপারটা এক করে ফেলেন, পাকআর্মিরা যুদ্ধাপরাধী, কিন্তু বেসামরিক কোলাবরেটরদের কে যুদ্ধাপরাধী বললে গ্রহণযোগ্য হবেনা, ব্যাপারটি মানবতাবিরোধী ইস্যু), মানবতাবিরোধী অপরাধ দোষে দুষ্ট। ৪২ বছর পর এসে হঠাৎ করে চৈতন্যে চিতার আগুনের কাছে বাকি সব ইস্যু আজ যেন শিশু! ৪২ অংকটি এখন ৪২০ এ পরিনত হয় কিনা সেটাই দেখার বিষয়!

 

পাশার গুটি উল্টে গিয়ে হয়ে গেল আস্তিক-নাস্তিক ইস্যু। "আল্লাহ দিলে থাবা, পালাবি কই বাবা?" ভালোই হয়েছে, Every cloud has a silver line! "থাবা বাবা" থাবা খাবার আগে সবকিছু ঠিক ঠাক ছিলো, অনেকের ফায়দা হাসিলের ময়দান আজকের শাহবাগ হতে পারত একটা ইতিহাসের কলংক ঢাকার ইতিহাস। কিন্তু নাহ, ইতিহাসটি তৈরী হবার আগেই চুরি হয়ে গেল, বাংলার ইতিহাসে এটা নতুন নয়, আগেও ঘটেছে এইরকম ঘটনা। মাওলানা ভাসানী যিনি শেখ মুজিবের রাজনৈতিক গুরু, তাঁর জীবনী পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীর পাঠ্য বই থেকে বাদ দিয়ে,আমাদের স্বাধীনতা আর জাতীয়তার জন্য যাদের রক্ত ও ঘাম ঝরেছে তাদের ইতিহাস বাদ দিয়ে আমরা নতুন এক ইতিহাস তৈরির আশায় মাইক নিয়ে টানাটানি করছি, কিংবা কী-বোর্ডের খটখটানি বাড়াচ্ছি! হায়রে পঁচে যাওয়া বিবেক, ক্ষমতার লোভ এতটাই তীব্র যে ঐ নির্লোভ, মজলুম জনদরদী, মাথায় সর্বক্ষন টুপি আর সফেদ লম্বা দাঁড়িওয়ালা লোকটিকেও সরিয়ে দেয়া হল ইতিহাস থেকে! মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী- আপনি সারাজীবন কষ্ট করে গিয়েছেন দুনিয়াতে থেকে, নিজের আহার নিজেই রান্না করে খেতেন মাটির চুলায় ছানি পড়া চোখে ধোঁয়ায় তৈরি পানি মুছতে মুছতে, আপনার মুখে ছিলোনা হাভানা চুরুট! আল্লাহর পবিত্র কালামেই আপনার তৃপ্তি ছিলো, আপনি পরপারে ভালো থাকুন মাওলানা-পরমকরুণাময়ের কাছে আমার এই কামনা।

 

সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা। ক্ষমতায় পাকাপাকি হয়ে যাবার বন্দোবস্ত অথবা প্রতিশোধ কিংবা ক্রোধের আগুন নেভানোর একটা নিখুঁত পরিকল্পনার অংশ, এটা জনগনকে নতুন করে মনে করিয়ে দিয়ে আর ঐ গোল্ড ফিশের অপমান করা নয়। বাঙালীর ১৩০০ গ্রাম ভরের মস্তিষ্কেও যে এখন ওসব ধরবেনা সেটা বুঝতে পেরেছি। আমাদের কোনকালে কোনো সমস্যা ছিলোনা আর এখনও নেই। সব ঐ কাদের মোল্লার ফাঁসীর সাথে খতম হবে। জাফর ইকবালের ভাই হুমায়ুন আহমেদ আমাদের বৃষ্টি দেখা শিখিয়েছেন, জোৎস্না দেখা শিখিয়েছেন কিন্তু শুধু তাঁর সাড়া জাগানো চরিত্র নান্দাইলের ইউনুসরেই জনগন এখনও পাইলোনা কাদের মোল্লার ভবলীলা সাঙ্গ করতে! এতগুলো মানুষ জড়ো হয়ে এক কাদেরের ফাঁসীকে কেন্দ্র করে যেই নাটকের অবতারনা করল সেটার সাথে হু আ এর নিমফুল নাটকের মিল পাই, ঐযে, মনা ডাকাত আর উত্তেজিত গ্রামবাসী, তাঁরপর খেঁজুরের কাঁটা দিয়ে চোখ তোলার গল্প আর একজন মায়াবতী চেয়ারম্যান কন্যা! নাহ, আজকাল অগ্নিকন্যাদের যুগ চলছে, চেয়ারম্যান কন্যারা জন্মায়না, অগ্নিকন্যারা নিজের ছোটভাই এর বয়সী বালক আর বাবার বয়সী বৃদ্ধদের লাশের অপক্ষায় লালা ঝরায়।

আজকের দিনটি আমার জন্য খুবই করুণ! মনটা ভারি হয়ে আছে... আজ বিষোদগার করার ভাষাও হারিয়ে ফেলেছি। একটা রাষ্ট্রের কি পরিমান শ্রম আর মেধা, কতগুলো বছর লাগে একেকজন আর্মি অফিসার তৈরী করতে সেটার হিসেব কেউ নাইবা রাখলো, একদিনের মধ্যে এতদিনের অনুশীলন,পরিশ্রম,অর্থ আর জিবীত থাকার অধিকার হরণের খেরোখাতা কি কেউ পড়ে দেখছে? কষ্টগুলোর বর্ননার ভাষার চর্বিত চর্বনে আমি নিজেও বিরক্ত। শুধু কিছু প্রশ্ন রাখতে চাই সেনা কর্মকর্তার লাশকে সামনে রেখে :

 

1.২৫ শে ফেব্রুয়ারী প্রধান মন্ত্রীর কাছে প্রেরিত ইন্টেলিজেন্স রিপোর্টটি কী? যা তিনি পার্লামেন্টে উল্লেখ করেছিলেন ?

 

2.কেন প্রধানমন্ত্রী ২৬তারিখের ডিনারের অনুষ্ঠানে আসার দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করলেন? তাহলে তিনি কি কিছু জানতেন আগে থেকে ?

 

3. লেফটেনেন্ট কর্নেল মুকিত কেন বিডিআর হেডকোয়ার্টার থেকে ২৫শে ফেব্রুয়ারী বিকেলে বাংলাদেশ আর্মী্র ও বিডিয়ার ডাইরেক্টরের বিরুদ্ধে টেক্সট মেসেজ পাঠালেন ?

 

5. কেন পিলখানার ৫ নং গেটে কোনও পুলিশ ও র্যাইব মোতায়েন করা হয়নি যেখান দিয়ে বিদ্রোহী জওয়ানরা পালিয়ে গিয়েছিল ?

 

6.কেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানক এবং আযম কে দুপুর একটায় নিয়োগ দিলেন অথচ আরও চার ঘন্টা আগেই তাকে এ ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল ?

 

7.কেন বিদ্রোহীদের পক্ষ থেকে আসা মধ্যস্থতাকারীদের নাম ও পরিচয় রেজিস্ট্রী করা হয়নি যখন তারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে সমঝোতার জন্য এসেছিলেন ?

 

8. বিদ্রোহী নেতা ডিএডি তৌহিদ প্রধানমন্ত্রীকে বিডিয়ার প্রধানের ও আরও কিছু অফিসারের হত্যার কথা জানানোর পরও কেন বিষয়টা সরকার ২৬ তারিখ বিকেল অব্দি গোপন রাখলেন ?

 

9. সরকার নিয়ন্ত্রীত বাংলাদেশ টেলিভিশন কেন পিলখানার ঘটনার ব্যপারে কিছুই প্রচার করেনি যদিও অন্যান্য বেসরকারি টেলিভিশন গুলো ব্যপকভাবে প্রচার করে যাচ্ছিল। এমনকি সংক্ষিপ্ত আকারেও কোনও সংবাদ প্রচার করেনি।

 

10. কেন বিদ্রোহীরা প্রধানমন্ত্রীকে “আমাদের নেত্রী” বলে বার বার দাবি করছিল ?

 

11.বিদ্রোহীরা যখন সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছিল তখন কেন তারা বার বার আওয়ামিলীগের (অধুনা ভার্চুয়াল শাহবাগীয় মুক্তিযোদ্ধারা বলেন জনগনের) দলীয় স্লোগান “জয় বাংলা” দিচ্ছিল ?

 

12. সেদিন অনেক বিদেশী বিডিয়ার হেডকোয়ার্টারে ফোন করেছিলেন তারা কারা। বাংলাদেশ গোয়েন্দা সংস্থা কি এতই দুর্বল যে ঘটনার ৪ বছরের মধ্যেও সেটা বের করতে পারলনা ?

 

13. প্রধানমন্ত্রীর পুত্র জয় ২৭শে ফেব্রুয়ারী কিছু পলাতক বিদ্রোহীর সাথে দেখা করতে কেন দুবাই এসেছিলেন ? ঐসব বিদ্রোহীদেরকে রাতারাতি কারা দুবাই পাঠিয়েছিলো?

 

14. কেন জয় বাংলাদেশ আর্মীর ব্যপারে বিরুপ মন্তব্য করেছিলেন এবং এই বিদ্রোহের জন্য বাংলাদেশ আর্মীর আচরণকে কে দায়ী করেন যখন তিনি বিভিন্ন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার সাথে কথা বলছিলেন ?

 

15. কেন আওয়ামিলীগ নেতা মহিউদ্দীন খান আলমগির ২৭শে ফেব্রুয়ারী দেশ থেকে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন ?

 

16.মন্ত্রী ফারুক খান কেন বলেছিলেন যে, জঙ্গিরা বাংলাদেশের আইনবিভাগ ও সসস্ত্রবাহিনীতে ঢুকে পড়েছে ?

 

17. কেন সরকার ইন্সপেক্টর অফ পুলিস কে (যার জামাই বিদ্রোহের সময় নিহত হয়েছিলেন এবং মেয়ে ছিলেন বিদ্রোহীদের হাতে জিম্মি অবস্থায়) তদন্ত কার্যক্রম থেকে দূরে সরিয়ে রাখছে ?

 

18. কেন নবনিযুক্ত পুলিশ কমিশনার বিপদবানী করেছেন যে, ইংলিশ মিডিয়াম ও মিশনারি স্কুল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে জঙ্গী হামলার সম্ভাবনা রয়েছে ?

 

19.. সি আই ডি সাক্ষ্যপ্রমান সংগ্রহের নামে বিডিয়ার হেডকোয়ার্টার থেকে কী সরাচ্ছিল ? সেগুলো কোথায়?

 

20.আত্মসমর্পনের পরও কেন সরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য সরকারদলীয় সদস্যরা ২৬ তারিখ রাতের অন্ধকারে বার বার বিডিয়ার হেডকোয়ার্টারে যাতায়াত করছিলেন ?

 

21.কেন ছাত্রলীগ নেতা লিয়াকত সিকদার ঘটনার পর থেকে পলাতক ?

 

22.কেন আওায়ামিলীগ এবং এর সমমনা দল বা প্রতিষ্ঠান গুলো অব্যাহতভাবে ঘটনার দোষীদের বিচার কোর্ট মার্শালের বদলে সিভিল কোর্টে হওয়ার দাবি করছে ?কেন একটি আওয়ামী পন্থি সাংবাদিক গোষ্ঠি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বাংলাদেশ আর্মীর বিপক্ষে দালালি করছে এবং পিলখানা হত্যা কান্ডের বিচার সিভিল কোর্টে হওয়ার দাবি করছে ?

 

23.কেন ক্ষমতাসীন্ দল ভারতের পত্রপত্রিকার সাথে সুরমিলিয়ে কথা বলেছে ?

 

24..পিলখানা ঘটনার দিন একজন সেনা কর্মকর্তার ভাষ্যমতে সকাল সাড়ে এগারটায় হত্যাকান্ড শুরু হয় ঐ সেনাকর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর সামনে এই স্বীকারক্তি করেন, কিন্তু প্রশ্ন হলো ভারতীয় মিডিয়া সেদিন কিভাবে তাদের গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে সকাল দশটায় এখবর নিশ্চিত করে যে, মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ সপরিবারে নিহত হয়েছেন? কিভাবে হত্যাকান্ড ঘটার আগেই ভিনদেশী মিডিয়া এ খবর নিশ্চিত করল? এবং কিভাবে তা পরে সত্য হল? যেখানে ২৬ তারিখের আগে বাংলাদেশের মিডিয়া ও বাংলাদেশ সরকার এখবর নিশ্চিত করতে পারলনা সেখানে ভারতীয় গোয়েন্দা ও মিডিয়া কিভাবে তা নিশ্চিত করল তাও আবার ঘটনা ঘটার আগেই ?

 

25.পিলখানা হত্যাকান্ডের পর কেন বিডিয়ার জোয়ানদের মৃত্যুর হার অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেল ?এবং এই মৃত্যু গুলো কোনটাই নর্মাল মৃত্যু নয়!

 

26. কেন আওয়ামী লীগের সাংসদ শেখ ফজলে নূর তাপস হত্যাচেষ্টার সঙ্গে যুক্ত থাকার দায়ে পাঁচ সেনা কর্মকর্তাকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।যদিও হত্যার চেষ্টার ঘটনাটা সাজানো ।তারপরেও প্রশ্ন জাগে সেনাবাহিনীর সদস্যরা কেন তাপসকে মারতে গেল ।তাহলে কি তাপস পিলখানা ট্রাজেডির সাথে জড়িত?

 

সবশেষে জানতে চাই,

কেন ঐদিন শহীদ হওয়া কিংবা বেঁচে যাওয়া আমার পরিচিত কোন সেনা কর্মকর্তার স্বজন কিংবা সন্তান “শাহবাগ চত্বরে” গিয়ে "ওয়াক থু" করেনা?

 

পাঠক, প্রজন্ম চত্বরের অপজন্ম নাটকে বিরতী এলে এই ইস্যুগুলো নিয়ে ভাবতে থাকুন, আমি এইফাঁকে নতুন ইস্যু নিয়ে লিখতে বসি।

 

ফুটনোট: ইতিহাস বিকৃতির আরও হাজারে হাজারে ইতিহাস আছে, এভাবেই এদেশে কালেরগর্ভে ইতিহাস বিকৃত হয়ে যায় আমাদের নাকের ডগা দিয়ে। কে জানে, হয়তো উত্তর প্রজন্ম এই আমাকেও রাজাকার বলে ডাকবে শুধুমাত্র আম্লিগান কিংবা নাস্তিকদের নিয়ন্ত্রিত শাহবাগের আন্দোলনে যোগ দেই নাই বলে!

 

সকল সেনা কর্মকর্তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি, প্রিয়জন হারানো সকল স্বজনের জন্য সমবেদনা, I stand in solidarity with you, I stand in solidarity with you in hating the evil of the world.

Categories: Elora's

Post a Comment

Oops!

Oops, you forgot something.

Oops!

The words you entered did not match the given text. Please try again.

Already a member? Sign In

0 Comments